কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে ৪ সপ্তাহের সময় দিলেন আদালত
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথের চিঠি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়াসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই খোদা রনি, অ্যাডভোকেট গাজী মো. মাহবুব আলম এবং অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ পৃথক তিনটি রিট দায়ের করেন। রিটগুলোতে জুলাই জাতীয় সনদকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে এর কার্যকারিতা স্থগিত ও বাতিল করার নির্দেশনা চাওয়া হয়। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আইনি ব্যাখ্যা ও রুল জারির সিদ্ধান্ত নেন, যা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।
















