টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় নির্বাচনী জনসভা; তাঁতশিল্পের উন্নয়ন ও কৃষক কার্ডের প্রতিশ্রুতি
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, একটি মহল নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে এবং মা-বোনদের এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করে অনৈতিক কাজ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি জনগণকে এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার এবং ভোটের দিন সকাল সকাল কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্র পাহারা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইলের ঘারিন্ডা বাইপাস এবং সিরাজগঞ্জের বিসিক শিল্প পার্কে আয়োজিত পৃথক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর এই জনসভাগুলোতে তারেক রহমান তাঁর দলের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি এবং টুপি শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে রপ্তানি বৃদ্ধির ঘোষণা দেন। সিরাজগঞ্জ ও পাবনা অঞ্চলের উন্নয়নে তিনি উত্তরবঙ্গজুড়ে কৃষিনির্ভর শিল্প পার্ক স্থাপন, তাঁতশিল্পের বিশ্বায়ন এবং আইটি ও ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার তৈরির প্রতিশ্রুতি দেন। বিশেষ করে কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু করে মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া সার ও বীজ সরবরাহ এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় গুরুদের মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, “১২ তারিখে ধানের শীষ জয়ী হলে ১৩ তারিখ থেকেই এসব উন্নয়ন কাজ শুরু হবে।”
তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে বিএনপিকে একটি অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দল হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ২০ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা একমাত্র বিএনপিরই আছে। সিরাজগঞ্জে বিভ্রান্তি ছড়াতে আসা ব্যক্তিদের ‘গুপ্ত’ হিসেবে চিহ্নিত করতে তিনি নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন। এ সময় তিনি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাঁদের বিজয়ী করার অনুরোধ জানান। এর আগে তিনি বগুড়ার শেরপুর ও শাজাহানপুরে পথসভা এবং বগুড়া-৬ (সদর) আসনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। প্রতিটি সভায় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
















