১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ছক চূড়ান্ত
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই সঙ্গে প্রস্তাবিত গণভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে সশস্ত্র বাহিনীসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবন মিলনায়তনে এই সভা শুরু হয়। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), র্যাব, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, আনসার ও ভিডিপি এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই, ডিজিএফআই) শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভার মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচনের সময় মাঠপর্যায়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, বিভিন্ন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং ভোটকেন্দ্রের ঝুঁকি পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত নিরাপত্তা ছক তৈরি করা।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, এবার সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাওয়ায় বাড়তি নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। নির্বাচনে প্রায় ১২ কোটি ৭৫ লাখ ভোটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সারাদেশে প্রায় ৮ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ৫০ হাজার আনসার সদস্য স্থায়ীভাবে কেন্দ্রে এবং সেনাবাহিনী ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া দুর্গম এলাকায় হেলিকপ্টার ব্যবহার করে নির্বাচনি সরঞ্জাম পরিবহনের বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে এনটিএমসি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে বিশেষ নজরদারি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
















