২৮ বছর পর আয়োজিত শাকসু নির্বাচনে প্রথমদিনেই কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ মিলিয়ে ৪৬ জন মনোনয়ন নিলেও কোনো ছাত্রী অংশ নেননি; ডোপটেস্ট জটিলতা এড়াতে সময় বাড়াল ইসি।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাকসু নির্বাচনে প্রথমদিনে ৪৬ জন মনোনয়নপত্র নিলেও নারী শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। ডোপটেস্ট প্রক্রিয়ার কারণে মনোনয়ন সংগ্রহ ও জমার সময় দুইদিন বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় হল সংসদ (শাকসু) নির্বাচনে প্রথমদিনে ৪৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তবে কেন্দ্রীয় সংসদ বা ছাত্রী হল— কোনো ক্ষেত্রেই প্রথমদিন কোনো নারী শিক্ষার্থী মনোনয়ন নেননি।
মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আইসিসিটি ভবনের শাকসু নির্বাচন কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক আবুল মুকিত মোহাম্মদ মোকাদ্দেছ জানিয়েছেন, প্রথমদিনেই কেন্দ্রীয় সংসদের ২৬ জন এবং তিনটি ছেলেদের হল মিলিয়ে আরও ২০ জন প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেন।
নির্বাচন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলাম জানান, শাহপরাণ হল থেকে ৮ জন, বিজয়–২৪ হল থেকে ৬ জন এবং সৈয়দ মুজতবা আলী হল থেকে আরও ৬ জন মনোনয়ন নেন। দীর্ঘ ২৮ বছর পর শাকসু নির্বাচন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রার্থীরা।
পুনঃতফসিল অনুযায়ী ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন সংগ্রহ ও ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে জমা দেওয়ার কথা ছিল। তবে প্রার্থীদের ডোপটেস্ট প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে মনোনয়ন বিতরণ ও জমার সময়সীমা দুইদিন বাড়ানো হয়েছে। এখন প্রার্থীরা ৫ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত এবং ৬ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা পর্যন্ত মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন।
এদিকে ১ ডিসেম্বর রাতে শাকসুর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মোট ৯ হাজার ১২৪ জন শিক্ষার্থীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০১৯–২০ থেকে ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এ তালিকায় রয়েছেন। ছেলেদের ছয়টি হলে ৫ হাজার ৭৯৮ জন এবং ছাত্রী হলগুলোতে ৩ হাজার ৩২৬ জন ভোটার তালিকাভুক্ত।
শাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামী ২০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
















