চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শিবিরের একটি গ্রাফিতিতে ছাত্র মুছে গুপ্ত লিখাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে কলেজের ক্লাস ও নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষ এবং মাস্টার্সের পরীক্ষা অনুষ্টিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে একদফা সংঘর্ষের পর বিকেলে আবারও সংঘর্ষে জড়ায় দুটি পক্ষ। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে শিবিরের পাঁচ জন ও ছাত্রদলেন চার জনসহ ৯জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে দাবী করেছেন উভয় পক্ষ।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানায়, কলেজের ভবনের দেয়ালে শিবিরের একটি গ্রাফিতিতে ‘ছাত্ররাজনীতি ও ছাত্রলীগ মুক্ত ক্যাম্পাস’ লিখা ছিলো। গতকাল সোমবার রাতে কে বা কারা গ্রাফিতি থেকে ‘ছাত্র’ শব্দটি মুছে তার উপরে ‘গুপ্ত’ লিখেদেন। এরপর শিবিরের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পোস্ট দিয়ে উসকানি ছড়ায়। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি লেখা চলছিল।
তারা আরো জানায়, তার জেরধরে সকালে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা পরবর্তী সংঘর্ষ বাঁধে। পরে বিকেল ৪টার দিকে আবারও দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এসময় কলেজ ক্যাম্পাসের সামনে দুই পক্ষের নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা হাতে মহড়া দিয়ে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ থাকলেও তাঁদের অনেকটা নির্বিকার অবস্থায় দেখা যায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সরকারি সিটি কলেজের উপাধ্যক্ষ জসীম উদ্দিন জানান, দুপুর ১২টার পর কলেজের অভ্যন্তরীণ ক্লাস এবং পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষ এবং মাস্টার্সের পরীক্ষা চলমান ছিলো।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিন ‘বার্তা বাজার’কে বলেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।
















