বিশ্ববাজারে তেলের দাম কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এলেও হরমুজ প্রণালী ঘিরে নতুন করে সংকট তৈরি হয়েছে। ইরানের সিদ্ধান্ত বদলের কারণে বাজারে আবারও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯০ ডলারে নেমে আসে, যা মার্চের পর সর্বনিম্ন। ইরান যুদ্ধবিরতির সময় হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় এই পতন ঘটে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, লেবানন-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির সময় প্রণালীটি পুরোপুরি চালু থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সম্ভাব্য সমঝোতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তবে পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যায়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দর অবরোধ তুলে না নেওয়ায় তেহরান আবারও হরমুজ প্রণালী সীমিত করার ঘোষণা দেয়।
বিশ্বের মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবহন হয়। ফলে এতে যেকোনো বাধা সরবরাহে বড় চাপ তৈরি করে এবং দাম আবার বাড়ার আশঙ্কা সৃষ্টি করে।
সংকটের মধ্যেই কিছু জাহাজ চলাচল শুরু করলেও আগের তুলনায় তা অনেক কম। নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকায় অনেক জাহাজ এখনো এই পথ এড়িয়ে চলছে।
এদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের দাম গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ব্যাপক ওঠানামা করছে। মার্চ মাসে দাম বেড়ে প্রায় ১১৯ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছিল।
সব মিলিয়ে, তেলের দাম সাময়িকভাবে কমলেও হরমুজ প্রণালী ঘিরে অনিশ্চয়তা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করছে।
















