বগুড়ায় সরবরাহ না থাকায় জেলার ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের জন্য হাহাকার দেখা দিয়েছে। পেট্রল, অকটেন ও ডিজেলের জন্য বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ পাম্পগুলোতে হন্যে হয়ে ছুটছেন।
ধুনটের একটি ফিলিং স্টেশনে পেট্রল আসার খবরে পাঁচ শতাধিক মোটরসাইকেল এসে জড়ো হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পাম্প মালিককে হিমশিম খেতে হয়। বাধ্য হয়ে তারা পুলিশি পাহারায় তেল বিক্রি করতে বাধ্য হন।
মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার জিরো পয়েন্ট এলাকায় মেসার্স ধুনট ফিলিং স্টেশনে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
মেসার্স ধুনট ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত কয়েক দিন ধরে জেলার ৭২ ফিলিং স্টেশনের অর্ধেকের বেশি পাম্পে জ্বালানি তেল ছিল না। ফলে তারা যানবাহনের চালক ও কৃষকদের পেট্রল, ডিজেল এবং অকটেন দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি ডিপো থেকে একটি ট্যাংকলরি ওই ফিলিং স্টেশনে আসে। খবরটি প্রচার হলে মুহূর্তের মধ্যেই পাঁচ শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে চালকরা ফিলিং স্টেশনে জড়ো হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলে পাম্প মালিক ধুনট থানা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে ট্যাংকলরি থেকে তেল পাম্পে নামানো হয়। পরে পুলিশি পাহারায় মোটরসাইকেলে পেট্রল বিক্রি করা হয়েছে।
মেসার্স ধুনট ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী জুয়েল আহম্মেদ জানান, বাঘাবাড়ি ডিপো থেকে তিন হাজার লিটার পেট্রল ও চার হাজার লিটার ডিজেল আনা হয়; কিন্তু পাঁচ শতাধিক বাইকারের উপস্থিতি পরিস্থিতি জটিল করে তোলে। বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের সাহায্য নিতে হয়েছে।
ধুনট থানার এসআই আবদুর রাজ্জাক জানান, একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক মোটরসাইকেল চালক পেট্রল নিতে আসায় ওই পাম্পে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে ট্যাংকলরি থেকে তেল নামানোর পর রেশনিং করে বিক্রি শুরু করা হয়। চাহিদামতো তেল না পেয়ে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
















