ফটিকছড়িতে জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে শোডাউন, ন্যায়ভিত্তিক শাসন ও সন্ত্রাসমুক্ত এলাকার অঙ্গীকার
চট্টগ্রাম-২ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে নাজিরহাটে গণমিছিল ও সমাবেশ; নেতারা সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অবস্থান ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিনের পক্ষে নাজিরহাটে গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নুরুল আমিন বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও সহিংসতার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, জনগণের অধিকার ও ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তাদের রাজনীতি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট আলমগীর মো. ইউনুস বলেন, ফটিকছড়িকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে আগামী নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে রায় দিতে হবে। তিনি কালো টাকা ও ঋণখেলাপিদের রাজনীতি থেকে দূরে রাখার আহ্বান জানান।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা নাগরিক পার্টির সমন্বয়ক একরামুল হক বলেন, হুমকি দিয়ে কণ্ঠরোধ করা যাবে না। জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়তে ১১ দলীয় জোট রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে চায়।
ফটিকছড়ি থানা জামায়াতের আমির নাজিম উদ্দীন ইমু বলেন, আসন্ন নির্বাচন হবে ব্যাংক লুটেরা, দখলদার ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জনগণের রায় দেওয়ার নির্বাচন। তিনি ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
শনিবার বিকেলে নাজিরহাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে মিছিল শুরু হয়ে বাজার এলাকার সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঝংকার মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
গণমিছিলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী দাওয়াহ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শাফি, শিবির নেতা খুররাম মুরাদ ও ফাহিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা ইউছুপ বিন সিরাজ, নাজিরহাট পৌরসভা জামায়াতের সভাপতি বায়েজিদ হাসান মুরাদ ও সেক্রেটারি শামসুল আরেফিন আরিফসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
















