খালেদা জিয়াকে গ্রামীণ উন্নয়নের মূল কারিগর ও গণতন্ত্রের ধারক হিসেবে স্মরণ
বাংলাদেশের মানুষের রক্তে রাজনীতি ও গণতন্ত্র মিশে আছে উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন যে কোনো দেশি-বিদেশি শক্তি বা পরাশক্তিই এ দেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না।
বুধবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত এক শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে ড. মঈন খান এসব কথা বলেন। তিনি ২০০৮ সালের নির্বাচনকে একটি ‘সাজানো’ নির্বাচন হিসেবে অভিহিত করে বলেন যে তখন একটি বিশেষ পক্ষ বাংলাদেশকে বিরাজনীতিকরণ করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল কিন্তু তারা সফল হয়নি। খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, বেগম জিয়া বারবার প্রমাণ করেছেন তিনি জনগণের প্রকৃত প্রধানমন্ত্রী এবং তিনি যতবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন ততবারই জয়ী হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।
সাবেক এই পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন যে খালেদা জিয়া ছিলেন দেশের গ্রামীণ উন্নয়নের মূল কারিগর। ১৯৯১-৯৬ এবং ২০০১-০৬ মেয়াদে তার উন্নয়ন পরিকল্পনা কেবল শহরকেন্দ্রিক ছিল না বরং তা ছিল প্রান্তিক মানুষের জন্য। ড. মঈন খান উল্লেখ করেন যে বেগম জিয়াই দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উন্নয়নের ধারাকে বেগবান করেছিলেন। জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত এই সভায় তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষা করবে এবং দেশকে বিশ্বের দরবারে একটি উন্নত ও সম্মানজনক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।
















