১৯৫৫ সাল থেকে শিক্ষকতা করে এলাকার ইতিহাস রচনা করা শিক্ষক, সম্মুখযুদ্ধে পায়ে গুলিবিদ্ধ বীর মুক্তিযোদ্ধা কিংবা উচ্চশিক্ষা শেষ করেও চাকরি না পেয়ে সবজি চাষে সফল হওয়া—এমন কীর্তিমান মানুষদের সম্মাননা জানাতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নক্ষত্রের অভিবাদন’ শীর্ষক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ জন গুণী ব্যক্তি ও পাঁচজন সাংবাদিককে সম্মাননা জানানো হয়। সংবর্ধিত সাংবাদিকদের মধ্যে সেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের সম্মাননা পান শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি জি এম মনিরুজ্জামান (মিশুক)।
গত শনিবার বিকেলে শ্যামনগর উপজেলা অডিটোরিয়াম হলে ‘গুণীজনের আলোয় আলোকিত হোক সমাজ’ প্রতিপাদ্যে এই আয়োজনের ব্যবস্থা করে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাব। সাহিত্য, শিক্ষা, সাংবাদিকতা, মুক্তিযুদ্ধ, জনসেবা, কৃষি, ক্রীড়া, সংগীত ও সমাজসেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি কয়েকজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল আযম মনিরের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান লিটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর থানার ওসি সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সোলায়মান কবীর, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হক, সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি এবং শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ লিয়াকত আলী বাবু।






















