জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীরা দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ও পোস্টার ব্যবহার করছেন এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপত্তি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে অনুষ্ঠিত সংলাপে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও পটুয়াখালী জেলা সমন্বয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা। সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনও উপস্থিত ছিলেন।
জহিরুল ইসলাম মুসা বলেন, বিএনপির প্রধান ম্যাডাম খালেদা জিয়া। তাঁর ছবি প্রার্থীরা ব্যবহার করলে আপত্তি নেই। কিন্তু প্রার্থীদের মধ্যে অনেকে প্রচারণায় তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করছেন এটা মেনে নেওয়া যায় না। ইসি কীভাবে এটিকে নিয়ন্ত্রণ করবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী প্রার্থী মনোনয়ন পাওয়ার পর নিজের ছবি, দলীয় প্রতীকের ছবি এবং দলীয় প্রধানের ছবি ছাড়া অন্য কারও ছবি ব্যবহার করার অনুমতি নেই। কিন্তু বিএনপির পক্ষ থেকে সেই বিধিমালা লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিএনপি প্রার্থীরা পোস্টার, বিলবোর্ড, লিফলেটসহ সব ধরনের প্রচারসামগ্রীতে তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করছেন।
জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ইসিকে বলেছি এটা কতটা কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে পারবেন এবং বিএনপিকে কীভাবে এ থেকে বিরত রাখবেন, সেটাই আপনাদের সক্ষমতা প্রমাণ করবে।’
এনসিপির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, যাঁদের বয়স নির্বাচনের আগে ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তাঁদের অবশ্যই ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিশেষ করে আন্দোলনে অংশ নেওয়া প্রচুর সংখ্যক জেনজি তরুণকে ভোটের আওতায় আনা জরুরি।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, গণভোট নির্বাচনের দিনই হওয়ার কথা, কিন্তু ইসি এখনো এ বিষয়ে কোনো প্রস্তুতি নেয়নি। দ্রুত গণভোট আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে প্রতিটি দলকে নিজ নিজ প্রতীকে অংশ নিতে হবে। জোটবদ্ধ হলেও অন্য দলের প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না। কোনো দলের প্রতীক ধার নিয়ে ভোট করা যাবে না। জোটের প্রার্থী হলেও স্ব-প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।














