জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার কেন্দুরবাগ এলাকায় পানির নিচে থাকা গ্যাস পাইপলাইনে লিকেজ দেখা দিয়েছে। এ কারণে লক্ষ্মীপুর জেলার পুরো এলাকা এবং নোয়াখালীর দুটি সিএনজি স্টেশন ও বেগমগঞ্জ শিল্প এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে প্রায় ৭ হাজার ১৫০জন গ্রাহক ও চারটি সিএনজি স্টেশন গ্যাস সংকটে পড়েছে। ভুক্তভোগী গ্রাহকরা দ্রুত মেরামতকাজ শেষ করে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে বেগমগঞ্জের কেন্দুরবাগ এলাকায় লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী মহাসড়কের পাশের একটি সেতুর নিচে পানির তলদেশে থাকা পাইপলাইনে লিকেজ শনাক্ত হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে শনিবার (৮ আগস্ট) রাত থেকে ওই লাইনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় লক্ষ্মীপুর জেলার বাসাবাড়িতে রান্নাবান্না নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। পাশাপাশি গ্যাসনির্ভর সিএনজি স্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় পরিবহন চালক ও যাত্রীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বাখরাবাদ নোয়াখালী কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৯ আগস্ট) সকাল থেকে লিকেজ মেরামতের কাজ শুরু করেছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার মধ্যরাতের মধ্যে মেরামত শেষ করে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে। এজন্য দ্রুত কাজ চলছে।
এ বিষয়ে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের নোয়াখালী কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) প্রকৌশলী শাহ আলম বলেন, ‘কেন্দুরবাগ এলাকায় পানির নিচে থাকা গ্যাস পাইপলাইনে লিকেজ দেখা দিয়েছে। পাইপলাইনটি ১০ ফুট পানির নিচে থাকায় মেরামতকাজ কিছুটা জটিল হয়ে পড়েছে। এজন্য মেরামত না করে নতুন পাইপ দিয়ে বাইপাস লাইন তৈরি করে গ্যাস সরবরাহ চালু করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘লিকেজের কারণে লক্ষ্মীপুর জেলার প্রায় ৭ হাজার আবাসিক গ্রাহক, বাণিজ্যিক ১৫০ জন গ্রাহক ও বেগমগঞ্জের দুটি সিএনজি স্টেশন ও লক্ষ্মীপুরের দুটি সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।’
















