চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবের মুখে জাপান শুধু যুদ্ধজাহাজ বিক্রি করছে না, বরং ইন্দো-প্যাসিফিকে নতুন ধরনের নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। সেই লক্ষ্যেই টোকিও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছে উন্নত প্রযুক্তির মোগামি-শ্রেণির ফ্রিগেট বাজারজাত করছে।
মিতসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ নির্মিত এই ফ্রিগেটগুলো স্বল্প ক্রু দিয়ে পরিচালনা করা যায় এবং সাবমেরিন শনাক্ত ও ড্রোন মোতায়েনের মতো আধুনিক সক্ষমতা রয়েছে। তুলনামূলক কম খরচে উন্নত সুবিধা থাকায় অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলো এতে আগ্রহ দেখাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, জাপানের এই উদ্যোগ কেবল প্রতিরক্ষা রপ্তানির বিষয় নয়। যুদ্ধজাহাজ বিক্রির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সরবরাহ ব্যবস্থার মাধ্যমে অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে স্থায়ী কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইছে টোকিও।
এছাড়া প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও শিল্প খাতে সম্পর্ক জোরদার করে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগের প্রভাব মোকাবিলার কৌশলও এতে রয়েছে। ফলে মোগামি ফ্রিগেট জাপানের জন্য শুধু একটি সামরিক প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক হাতিয়ার হয়ে উঠছে।
















