বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে আজ মালয়েশিয়া ও পরে চীন যাচ্ছেন তারেক রহমান। ছয় দিনের এই সফরের মূল লক্ষ্য বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রবাসী কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার তুলে ধরা।
রোববার কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকের পর সোমবার চীনের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াং ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি সামার দাভোস ফোরামেও অংশ নেবেন।
পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন, সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। দীর্ঘদিনের আলোচিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে।
সম্প্রতি চট্টগ্রামে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের জন্য প্রায় ৪১.৮৯ বিলিয়ন টাকার অবকাঠামো প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। চীনা ঋণ সহায়তায় বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় এক লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ৫০ কোটি ডলারের বেশি বিদেশি বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
মালয়েশিয়া সফরে শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। কারণ প্রবাসী আয় বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস এবং মালয়েশিয়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের অন্যতম বড় গন্তব্য।
বিশ্লেষকদের মতে, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কিছুটা উন্নত হলেও সীমান্ত ইস্যু ও কথিত পুশইন নিয়ে উত্তেজনা এখনো রয়েছে। এ অবস্থায় চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার উদ্যোগ বাংলাদেশের বহুমুখী কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
















