বিশ্বখ্যাত পপ তারকা মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে নির্মিত নতুন চলচ্চিত্র মুক্তির আগেই ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, নানা বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও ছবিটি বাণিজ্যিকভাবে বড় সাফল্য পেতে পারে।
এই চলচ্চিত্রের প্রযোজক এর আগে একটি জনপ্রিয় সংগীতভিত্তিক জীবনীচিত্র নির্মাণ করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার তিনি আরেক বিশ্বখ্যাত সংগীতশিল্পীর জীবন নিয়ে কাজ করেছেন।
চলচ্চিত্রটিতে মাইকেল জ্যাকসনের শৈশব থেকে শুরু করে তারকা হয়ে ওঠার গল্প তুলে ধরা হয়েছে। পারিবারিক সংগীতদল থেকে একক ক্যারিয়ারে তার উত্থান, খ্যাতি এবং সাফল্যের নানা দিক এতে স্থান পেয়েছে। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন তার পরিবারেরই একজন সদস্য।
তবে ছবিটি নিয়ে বিতর্কের মূল কারণ হলো শিল্পীর বিরুদ্ধে অতীতে ওঠা গুরুতর অভিযোগগুলো। এসব অভিযোগ নিয়ে আগে আইনি প্রক্রিয়া চললেও তার পরিবার ও সংশ্লিষ্টরা বরাবরই তা অস্বীকার করে এসেছে।
সমালোচকদের একটি অংশ বলছেন, চলচ্চিত্রটিতে তার জীবনের বিতর্কিত অধ্যায়গুলো যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি। বরং এটি তার সাফল্য ও জনপ্রিয়তাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে।
নির্মাণ প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। শুরুতে কিছু বিতর্কিত ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা বাদ দেওয়া হয়। ফলে নতুন করে দৃশ্য ধারণ করতে হয়েছে এবং মুক্তির সময়ও পিছিয়ে গেছে।
তবুও এই শিল্পীর জনপ্রিয়তা এখনো বিশ্বজুড়ে ব্যাপক। তার গান এখনও শ্রোতাদের মধ্যে সমানভাবে জনপ্রিয় এবং তাকে ঘিরে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনও চলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই জনপ্রিয়তাই চলচ্চিত্রটির সাফল্যের প্রধান কারণ হতে পারে। তবে প্রশ্ন রয়ে গেছে—এই চলচ্চিত্র কি তার জীবনের পূর্ণ বাস্তবতা তুলে ধরেছে, নাকি এটি একপাক্ষিক উপস্থাপন।
















