আঙ্গোলার রাজধানী লুয়ান্ডাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩৩ জনে পৌঁছেছে। এতে কয়েক হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং বহু বাড়িঘর ও অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে।
জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে বেঙ্গুয়েলা শহরে, যেখানে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজধানী লুয়ান্ডায় মারা গেছেন অন্তত ছয়জন। এছাড়া কুয়ানজা-সুল প্রদেশে আরও চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
বন্যার কারণে অন্তত ৩৪ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বহু সড়ক ও সেতু ভেঙে পড়েছে, গাছ উপড়ে গেছে এবং বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হালো নদীর ওপর একটি সেতুর স্তম্ভ ভেঙে পড়ায় বেঙ্গুয়েলা ও হুয়াম্বো প্রদেশের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
দেশটির প্রেসিডেন্ট জোয়াও লরেন্সো এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত উদ্ধার ও চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে।
এর আগে রবিবার জরুরি সংস্থা জানায়, বন্যার কারণে হাজার হাজার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার এই অঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে ভারী বৃষ্টি স্বাভাবিক ঘটনা হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এর তীব্রতা বেড়েছে। ২০২৩ সালেও আঙ্গোলায় ভয়াবহ বন্যায় ৩০ জনের মৃত্যু হয় এবং এক লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
















