পোস্টাল ব্যালটে ‘অনিয়মের’ অভিযোগের মধ্যেই জরুরি সাক্ষাৎ; ডা. হামিদুর রহমানের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল বিকেলে নির্বাচন কমিশনে পৌঁছাবে।
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিএনপির অভিযোগের পরপরই নির্বাচন কমিশনে (ইসি) যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার বিকেলে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সিইসির সাথে বৈঠকে অংশ নেবে। প্রবাসীদের ভোটদান প্রক্রিয়া এবং নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাথে আলোচনার জন্য আজ বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা পৌনে ৫টার দিকে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে দুপুরেই বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল সিইসির সাথে বৈঠক করে পোস্টাল ব্যালটে ‘অনিয়ম’ এবং একটি নির্দিষ্ট দলের প্রতি প্রশাসনের ‘পক্ষপাতের’ অভিযোগ তুলেছিল। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই জামায়াতের এই ঝটিকা সফর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
জামায়াতের প্রতিনিধি দলে যারা থাকছেন
জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ৫ সদস্যের এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ডা. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ। দলের অন্য সদস্যরা হলেন:
- অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের (সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল)
- মোবারক হোসাইন (কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য)
- অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার (কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য)
- ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন (কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য)
আলোচনার সম্ভাব্য বিষয়বস্তু
যদিও জামায়াতের পক্ষ থেকে বৈঠকের সুনির্দিষ্ট আলোচ্যসূচি জানানো হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিএনপির তোলা পোস্টাল ব্যালটের অনিয়ম এবং নির্বাচনে সব দলের জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করার বিষয়ে কথা বলতে পারে দলটি। এছাড়া, ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
উল্লেখ্য, দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ সিইসির সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালট প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা রয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, কোনো কোনো বাসায় বিপুল পরিমাণ ব্যালট পাওয়া গেছে। তিনি এ বিষয়ে কমিশনের কাছে ব্যাখ্যা দাবি করেছেন।
জামায়াতে ইসলামীও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করে কি না বা অন্য কোনো নির্বাচনি সংস্কার নিয়ে প্রস্তাব দেয় কি না, তা বৈঠক শেষেই পরিষ্কার হবে।
















