এআই-নির্ভর জালিয়াতি বেড়ে যাওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে নতুন আইন প্রণয়নের নির্দেশ
প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস বলেন— জালিয়াতি দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন করছে, কঠোর শাস্তিসহ বিশেষ আইন প্রয়োজন
বিভিন্ন দেশের ভিসা জালিয়াতি রোধে বিশেষ আইন প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে সাম্প্রতিক সময়ে ভিসা–সংক্রান্ত জালিয়াতি উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর ইউনূস। পরে বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তের বিষয়ে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফ করেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব জানান, এআই এবং অনলাইনভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশে ‘জালিয়াতির সমুদ্র’ তৈরি হয়েছে। অনেক প্রতারক চক্র বিদেশগামী নাগরিকদের ঠকাচ্ছে, জাল ভিসা ও নথিপত্র তৈরি করছে, যার ফলে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং সাধারণ নাগরিকরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টা স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন— ভিসা জালিয়াতি প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে একটি আলাদা আইন প্রণয়ন করতে হবে। আইনটিতে যেন কঠোর শাস্তি, প্রযুক্তি–নির্ভর জালিয়াতির বিরুদ্ধে বিশেষ ব্যবস্থা এবং প্রতারণা দমন–সংক্রান্ত সুস্পষ্ট বিধান অন্তর্ভুক্ত থাকে।
শফিকুল আলম আরও বলেন, অনেক বাংলাদেশি বিদেশে ভিসা প্রসেসিং–এ অযথা জটিলতায় পড়ছেন, যা প্রতারক চক্রের কর্মকাণ্ডের ফল। নতুন আইন এ ধরনের অপরাধ দমন ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে।
















