লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে গরু আনতে গেলে বিএসএফের গুলিতে নিহত সবুজ মিয়ার মরদেহ পতাকা বৈঠকের পর রাতে দেশের কাছে হস্তান্তর।
লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত সবুজ মিয়ার মরদেহ ১৬ ঘণ্টা পর দুই বাহিনীর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেওয়া হয়েছে। গরু আনতে শূন্যরেখার কাছে গেলে তাকে গুলি করা হয়।
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত যুবক সবুজ মিয়ার মরদেহ ১৬ ঘণ্টা পর তার পরিবারের কাছে ফিরেছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পাটগ্রামের নাজিরগোমানী বিওপি এলাকার সীমান্ত পিলার ৮৬৮/৩–এস এর কাছে দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে এ মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
বিজিবি–৬১ তিস্তা ব্যাটালিয়নের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিএসএফ প্রথমে মরদেহ নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং পরে ভারতীয় পুলিশ তা বাংলাদেশি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এ সময় পাটগ্রাম থানা পুলিশ ও নিহতের পরিবার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়দের বর্ণনায় উঠে এসেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে শমশেরনগর সীমান্তের ৮৬৪/৫ নম্বর পিলারের কাছে গরু আনতে গেলে সবুজকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বিএসএফ। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। গুলির শব্দে সাথে থাকা অন্যরা দ্রুত সরে আসে।
ঘটনার পরপরই বিজিবি কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানায় এবং দুই বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় রাতে মরদেহ হস্তান্তর সম্পন্ন হয়।
পাটগ্রাম থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে আবারও আতঙ্ক বাড়ছে।
















