যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে সাম্প্রতিক গুলির ঘটনার পর আবারও আলোচনায় এসেছে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন হামলার চেষ্টা ও নিরাপত্তা ঝুঁকির ঘটনা। ২০২৪ সাল থেকে শুরু করে একাধিক গুরুতর ঘটনার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি।
সর্বশেষ ঘটনায়, হোয়াইট হাউস সংবাদদাতা নৈশভোজ অনুষ্ঠানে এক সশস্ত্র ব্যক্তি প্রবেশ করে গুলি চালালে ট্রাম্পসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়। সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার প্রক্রিয়া চলছে।
২০২৪ সালের ১৪ জুলাই পেনসিলভানিয়ার বাটলার কাউন্টিতে এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প গুলিবিদ্ধ হন। তিনি বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা যায় এবং নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত তাকে মঞ্চ থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। তার ডান কানে রক্ত দেখা যায়। হামলাকারীকে ঘটনাস্থলেই নিরাপত্তা বাহিনী গুলি করে হত্যা করে।
একই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর ফ্লোরিডায় তার গলফ রিসোর্টে আরেকটি হামলার চেষ্টা হয়। গলফ খেলার সময় নিরাপত্তা সদস্যরা ঝোপের মধ্যে অস্ত্রসহ একজনকে দেখতে পান এবং গুলি চালান। পরে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং আদালতে দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্কে একটি গলফ টুর্নামেন্টে এক পুলিশ কর্মকর্তা অনুমতি ছাড়া ট্রাম্পের নিরাপত্তা দলের সদস্য সেজে প্রবেশ করেন। পরে জানা যায়, তিনি কোনো দায়িত্বে ছিলেন না এবং তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের বাসভবনের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে এক ব্যক্তি গাড়ি নিয়ে ঢোকার চেষ্টা করলে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তার কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ও জ্বালানি পদার্থ ছিল বলে জানা যায়।
এই ধারাবাহিক ঘটনাগুলো ট্রাম্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
















