যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের দুই পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল লিমন এবং নাহিদা বৃষ্টি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহভাজন এক যুবককে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। তাকে আটকের ড্রোন ফুটেজ প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ইউএস সান।
ভিডিওতে দেখা যায়, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ফ্লোরিডার ট্যাম্পায় সোয়াট বাহিনীর অভিযানে নিজের বাড়ি থেকে হাত উঁচু করে বেরিয়ে আসেন ২৬ বছর বয়সী হিশাম আবুঘারবিয়েহ। এ সময় তিনি প্রায় অর্ধনগ্ন অবস্থায় শুধু তোয়ালে পরিহিত ছিলেন। পরে জামিল লিমন ও নাহিদা বৃষ্টির নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তাকে আটক করা হয়।
হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের দপ্তর জানায়, সকাল ৯টার দিকে পারিবারিক সহিংসতার এক ঘটনার খবর পেয়ে তারা লেক ফরেস্ট এলাকায় আবুঘারবিয়েহর বাড়িতে যায়। শেরিফ দপ্তরের চিফ ডেপুটি জোসেফ মাউরার বলেন, ‘সে সময় আমরা সন্দেহভাজনকে বেরিয়ে এসে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিই, কিন্তু তিনি তা মানতে অস্বীকৃতি জানান।’
প্রায় ২০ মিনিট পর সোয়াট দলকে ডাকা হয়। তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আবুঘারবিয়েহ শান্তিপূর্ণভাবে হাত উঁচু করে বাইরে বেরিয়ে আসেন বলে জানান মাউরার।
তার বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতাজনিত হামলা, প্রমাণ নষ্ট করা, মৃত্যুর ঘটনা গোপন রাখা এবং অনুমোদনহীন অবস্থায় মৃতদেহ সরিয়ে রাখা বা সংরক্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে।
পারিবারিক সহিংসতার ঘটনায় ভুক্তভোগী কে ছিলেন, তা এখনও জানা যায়নি।
মাউরার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক আবুঘারবিয়েহ ছিলেন লিমনের রুমমেট। তবে ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।
হিলসবরো কাউন্টির শেরিফ চ্যাড ক্রোনিস্টার বলেন, ‘এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক একটি ঘটনা, যা আমাদের পুরো কমিউনিটিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা হৃদয়বিদারক হলেও আমি জনগণকে জানাতে চাই, সত্য উদঘাটনে আমাদের গোয়েন্দারা নিরলসভাবে কাজ করেছেন এবং এখনও করে যাচ্ছেন।’
















