দ্বিতীয় ধাপের আগে অনিশ্চয়তা ও বিতর্ক
ত্রুটি ও ধীরগতির কারণে বাড়ছে সমালোচনা
পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট গণনায় বিলম্ব ও অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ বাড়ছে। নির্বাচন পরিচালনাকারী সংস্থার প্রধানকে অপসারণের দাবিও জোরালো হয়েছে।
গত রবিবার অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের পর এখনো স্পষ্ট হয়নি কে দ্বিতীয় ধাপে প্রথম অবস্থানে থাকা কেইকো ফুজিমোরির মুখোমুখি হবেন। ভোট গণনা চলমান থাকায় অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।
নির্বাচন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বামঘেঁষা প্রার্থী রোবের্তো সানচেজ এবং রক্ষণশীল প্রার্থী রাফায়েল লোপেজ আলিয়াগার মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান খুবই কম।
এ পর্যন্ত অধিকাংশ ভোট গণনা শেষ হলেও কিছু ব্যালটে ত্রুটি ও তথ্য ঘাটতি থাকায় সেগুলো পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে, যা ফল ঘোষণায় বিলম্ব ঘটাচ্ছে।
নির্বাচন চলাকালে লজিস্টিক সমস্যার কারণে ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানো হয়েছিল। এ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে এবং কিছু রাজনৈতিক পক্ষ ভোট গণনা স্থগিতের দাবিও জানায়।
তবে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং বলেছে, কোনো ধরনের জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এদিকে, ব্যবসায়ী নেতা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা নির্বাচন পরিচালনায় ত্রুটির দায়ে কর্তৃপক্ষের প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেছেন।
একই সঙ্গে একটি তদন্তও শুরু হয়েছে, কারণ কিছু ভোটকেন্দ্রের নির্বাচন সামগ্রী জনসাধারণের সড়কে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
ইউরোপীয় পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন, তারা কোনো ধরনের জালিয়াতির প্রমাণ পাননি। তবে ধীরগতির কারণে জনমনে উদ্বেগ ও অসন্তোষ বাড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে ফলাফল প্রকাশ না হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।
















