ফ্রান্সজুড়ে বিভিন্ন শহর ও বড় নগরে মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে শেষ বড় ভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশেষ করে রাজধানী প্যারিস ও নিস শহরে নির্বাচনী উত্তেজনা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বাধীন জোটের অধীনে থাকা প্যারিসে এবার ক্ষমতার পালাবদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
প্যারিসে সমাজতান্ত্রিক প্রার্থী ইমানুয়েল গ্রেগোয়ারের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ডানপন্থী রাশিদা দাতি। জনমত জরিপে পিছিয়ে থাকলেও দাতি এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
অন্যদিকে নিস শহরে কট্টর ডানপন্থী ঘনিষ্ঠ নেতা এরিক সিওত্তি জয়ের পথে এগিয়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় দেশজুড়ে সবচেয়ে বেশি নজর পড়েছে বামপন্থী দলগুলোর জোট গঠনের দিকে। অনেক শহরে বাম ও কঠোর বামপন্থীরা একত্রিত হয়ে ডানপন্থীদের মোকাবিলার চেষ্টা করছে।
তবে এই জোট নিয়ে বিতর্কও রয়েছে। বিরোধীরা বলছে, ভোটের স্বার্থে আদর্শ বিসর্জন দিয়ে এই জোট করা হয়েছে। অন্যদিকে বামপন্থীরা দাবি করছে, কট্টর ডানপন্থীদের ঠেকাতে এটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
টুলুজ শহরে বামপন্থী দুই প্রার্থী একত্রিত হয়ে এগিয়ে থাকার অবস্থান তৈরি করেছে, যা এই নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মার্সেই শহরে বর্তমান সমাজতান্ত্রিক মেয়র পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে রয়েছেন, যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জটিল হয়ে উঠেছে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের কারণে।
এদিকে মধ্যপন্থী রাজনীতিবিদদের মধ্যেও কিছু সাফল্যের আভাস দেখা যাচ্ছে, যা আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন শুধু স্থানীয় প্রশাসনের জন্য নয়, বরং দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণেও বড় ভূমিকা রাখবে।
















