দুর্নীতিমুক্ত দেশ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার বিএনপি চেয়ারম্যানের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান অতীতের অনিচ্ছাকৃত ভুলত্রুটির জন্য দেশবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তিনি একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপিকে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান।
বিটিভিতে প্রচারিত ৩৭ মিনিটের দীর্ঘ ভাষণে তারেক রহমান বলেন, অতীতে রাষ্ট্র পরিচালনার সময় কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল হতে পারে, যার জন্য তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তিনি অঙ্গীকার করেন, আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রতিটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস, তাই সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে।”
তারেক রহমান তাঁর ভাষণে ২০২৪ সালের স্বাধীনতা রক্ষা আন্দোলনসহ ইতিহাসের সব শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই হবে শহীদদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান। তিনি ধর্মীয় উগ্রবাদ ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান ঘোষণা করে বলেন, “ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার”—এই নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
তরুণ প্রজন্ম ও নারীদের কর্মসংস্থানকে বিএনপির প্রধান অগ্রাধিকার উল্লেখ করে তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, বেকার ভাতা এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা ধানের শীষের প্রার্থীদের দায়িত্ব নিন, ১৩ তারিখ থেকে আপনাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আপনাদের দায়িত্ব নেবেন।”
পরিশেষে, তারেক রহমান তারুণ্যের প্রথম ভোট ধানের শীষে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি সার্বভৌম ও তাবেদারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
















