আসন্ন রমজানে দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) কোনো সংকট হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে এলপিজি আমদানি বাড়ানো হবে, যা বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হবে।’
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘এলপিজি বাজার নিয়ন্ত্রণ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।
বর্তমানে দেশে এলপিজির দাম ও সরবরাহ—উভয় ক্ষেত্রেই নজিরবিহীন অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।নির্ধারিত দামের প্রায় দ্বিগুণ অর্থ দিয়েও অনেক এলাকায় এই নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না।
এ প্রেক্ষাপটে আলোচনায় ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাব-এর সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘নির্ধারিত ১ হাজার ৩০০ টাকার এলপিজি সিলিন্ডারের জন্য কেন গ্রাহককে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে।’ তিনি এলপিজির দাম নির্ধারণ পদ্ধতি আরো স্বচ্ছ করার দাবি জানান।
বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘জানুয়ারি মাসেই প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টন এলপিজি আসার কথা রয়েছে।রমজানে এলপিজি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না এবং সবার সহযোগিতায় বর্তমান সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।’
















